নোবিপ্রবি পরীক্ষা দিয়ে কোথায় ঘুরতে যাবেন?-নোয়াখালীর দর্শনীয় স্থান

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেকেই পরীক্ষা দিতে আসবেন। সে সুবাধে অনেকেই নোয়াখালী ঘুরে দেখতে চাইতে পারেন। তাদের জন্য আমরা নোয়াখালীর কিছু দর্শনীয় স্থানের নাম দিয়ে দিচ্ছি। আপনারা চাইলে নিজের সুবিধা মত ঘুরে আসতে পারেন। অনেকেই হয়ত সময় স্বল্পতার জন্য ঘুরতে পারবেন না। তবে পরীক্ষা কেন্দ্রের আশে পাশের কিছু জায়গা ঘুরে আসতে পারলে মন্দ হবে না।

নোয়াখালী সদর উপজেলা

ড্রিম ওয়ার্ল্ড পার্ক

ড্রিম ওয়ার্ল্ড পার্ক

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণে ধর্মপুর গ্রামে ড্রিম ওয়ার্ল্ড পার্কটি অবস্থিত।২৫ একর জমির উপর বেসরকারি ভাবে পার্কটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। পার্কটিতে সকল বয়সের মানুষের জন্য বিনোদনের ব্যবস্থা রয়েছে। নোয়খালীতে বেসরকারী ভাবে প্রতিষ্ঠিত সবচেয়ে বড় বিনোদন পার্ক হলো ড্রিম ওয়ার্ল্ড। এখানে বিভিন্ন ধরনের রাইডে চড়ার সুযোগ রয়েছে। তাছাড়া ঝর্ণা, পাহাড়,কৃত্রিম লেকসহ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন। প্রতিনি সকাল ৯.৩০ থেকে সন্ধ্যা ৬.৩০ পর্যন্ত পার্কটি খোলা থাকে। টিকেট এর মূল্য জনপ্রতি ১৫০ টাকা।

মোবাইলে বিস্তারিত তথ্য নিতে পারবেনঃ 01849-653660;01825-295829;01813-876829

জেলা জামে মসজিদ

প্রায় ৭০ বছরের পুরনো নোয়াখালী জামে মসজিদটি ঘুরে যেতে পারেন। এটি নোয়াখালীর শহরের প্রাণ কেন্দ্রে মাইজদীতে অবস্থিত।। মসজিদের পশ্চিমে রয়েছে একটি বড় পুকুর, দক্ষিণে জিলা স্কুল, উত্তরে ষ্টেশান রোড এবং জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল ও জেলা সড়ক বিভাগের ভবন আর পূর্বে গণপূর্ত বিভাগের ভূমি।

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস

অনেকের পরীক্ষার কেন্দ্র হয়ত নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পড়বে না। তাহলে কি ক্যাম্পাসটা ঘুরে দেখা হবে না? আমার মনে হয় নোয়াখালী এসে ক্যাম্পাসটা না ঘুরে যাওয়া হবে বোকামি। তাই পরীক্ষা দিয়ে সময় করে চলে যান, ক্যাম্পাটা দেখে আসুন।

লুর্দের রাণীর গীর্জা

১৯৫৯ খ্রীষ্টাব্দে লুর্দের রাণীর নামানুসারে খ্রীষ্টানদের ধর্মীয় উপাসনালয়টি প্রতিষ্ঠিা করা হয়। নোয়াখালী সদর উপজেলার সোনাপুরে এটি অবস্থিত। শান্ত স্নিগ্ধ ছায়া ঢাকা পরিবেশ চার্চটিকে করে তুলেছে মনোমুগ্ধকর। চার্চের পাশেই রয়েছে  খ্রীস্টানদের কবরস্থান, যীশুখ্রীস্টের একটি বিশালাকৃতির স্ট্যাচু, ফুলের বাগান, সান বাধানো ঘাট বিশিষ্ট তিনটি বিশালাকৃতির পুকুর, একটি মিশন স্কুল, দাতব্য স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও হস্তশিল্প কেন্দ্র। খ্রীস্টানদের ধর্মীয় ও সামাজিক আচার অনুষ্ঠানের পাশাপাশি এখানে প্রতিদিন বিভিন্ন স্থান থেকে দর্শনার্থীদের ভীড় জমে।

এছাড়া আরো ঘুরে আসতে পারেনঃ

  • সেন্ট সাধু এন্টনী গীর্জা
  • বায়তুল আমান জামে মসজিদ
  • জেলা জামে মসজিদ
  • দত্তের হাট জামে মসজিদ
  • মাষ্টার পাড়া জামে মসজিদ
  • কারামতিয়া কামিল মাদরাসা জামে মসজিদ
  • নোয়াখালী দেবালয় -গুপ্তাংক
  • শ্রী শ্রী রাম ঠাকুরের জন্মোৎসব মন্দির -মাইজদী বাজার
  • বলাই চাঁদ গোস্বামীর আখড়া -বিনোদপুর
  • পূর্ব মাইজদী শ্রী শ্রী রক্ষা কালী মন্দির -মাষ্টারপাড়া
  • নেয়াজপুর মহাপ্রভু মন্দির -নেয়াজপুর
  • রাই বাহাদুরপাড়া শ্রী শ্রী কালী মন্দির -হরিনারায়নপুর

 

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা

মুছাপুর ছোট ফেনী নদী

ছোট ফেনী নদী

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর এ গিয়ে মুছাপুর ছোট ফেনী নদী দেখে আসতে পারেন। কোম্পানীগঞ্জ গিয়ে বসুর হাট থেকে মুছাপুর বাংলা বাজার এর পর বাংলা বাজার থেকে পূর্বে ২ কিলোমিটার রাস্তা পার হয়ে যাওয়া যায়। নদীর প্রাকৃতিক দৃশ্য,বিকেলের হিমেল হাওয়া, নৌকা ভ্রমনের আনন্দ, পাখির কলতান, মাঝির গানসহ মনোরম নানান দৃশ্যে আপনাকে বিমোহিত করবে।

মুছাপুর ক্লোজার

১৯৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ছোট ফেনী নদীর  উপর নির্মাণ করা হয়েছে বাঁধটি। যেটি  মুসাপুর ক্লোজার নামে পরিচিত। এর নির্মান কাজ শুরু হয় ২০১৩ সালে এবং শেষ হয় ২০১৫ সালে। মুসাপুর ক্লোজারের  মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশ ,উত্তাল সাগরের ঢেউ , নদীর কূলঘেঁষা সবুজ বনায়ন, পশ্চিমের সোনালি ফসলের মাঠ আর ঝাউ গাছ পর্যটকদের বিমোহিত করে। সব মিলিয়ে প্রকৃতি আর সাগরের খেলা চোখ জুড়িয়ে যাবে আপনার। হাজারো ব্যথা ভুলে সাগর পাড়ের পাথর ও রেগুলেটরে বসে আপনি  উপভোগ করবেন এর প্রাকৃতিক স্নিগ্ধতা।

শাহাজাদপুর-সুন্দলপুর গ্যাস ক্ষেত্র

নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ০১ নং সিরাজপুর ইউনিয়নের ০৮ নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত শাহাজাদপুর গ্রামে শাহাজাদপুর-সুন্দলপুর গ্যাস ক্ষেত্রটি অবস্থিত।  ২০১৭ সালের ১৭ মার্চ থেকে গ্যাস ক্ষেত্রটি থেকে গ্যাস  উৎপাদন শুরু হয়। এটি হতে প্রতিদিন গড়ে ৫ মিলিয়ন ঘন ফুট গ্যাস জাতীয় গ্রেডে যোগ হয়।

মহিষের দধি

নোয়াখালী আসলেন অথচ মহিষের দই খেয়ে গেলেন না ব্যাপারটা বন্ধুদের কি করে বলবেন? আসছেন যেহেতু মহিষের দই খেয়ে যাবেন না কেন? নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার প্রত্যন্ত আঞ্চলে গেলে পাবেন মহিষের দধি। এর মধ্যে আছে  চরহাজারী, মুসাপুর ,রামপুর ও চরএলাহী প্রভৃতি এলাকা। এইসব এলাকায় প্রায় ৬০টি’র উপরে খামার রয়েছে।  মুছাপুর ক্লোজারে যাওয়ার পরকিল্পনা থাকলে বসুরহাট বাজারে পেয়ে যাবেন মহিষের দধির অনেক দোকান।

বেগমগঞ্জ উপজেলা

কুতুবপুর গ্যাস ফিল্ড

নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের কাজিরহাটে  প্রাকৃতিক এই গ্যাস ক্ষেত্রটি ১৯৬৮ সালে আবিষ্কার করা হয়। পরবর্তীতে এটিকে পরিত্যাক্ত ঘোষনা করলেও ৩৫ বছর পর তাতে আবার গ্যাস পাওয়া যায়। গ্যাস ক্ষেত্রটি নোয়াখালী – ফেনী হাইওয়ে রোডের জমিদার হাট থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার ভিতরে অবস্থিত । 

ঐতিহ্যবাহী প্রাচীনতম ডেল্টা জুট মিলস

১৯৬৩ সালে ৬০ একর জমির উপর চৌমুহনী বাজারের করিমপুর রোডে ডেল্টা জুট মিলটি গড়ে উঠে। শুরুর দিকে এটি খুবই লাভজনক হলেও অব্যবস্থাপনার জন্য মিলটি প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম যেখান থেকেই আসেন না কেন চৌমুহনী বাজার কিংবা চৌরাস্তা হয়েই আপনাকে ফিরতে হবে। তাই সময় পেলে ঘুরে আসতে পারেন এই জুট মিলটা।

কমলার দিঘি

এই দিঘী নিয়ে কল্প-কাহিনীটা দারুন। প্রচীন কাল থেকে মানুষের মুখে মুখে কমলার দীঘির এক আকর্ষনীয় কাহিনী প্রচার হয়ে আসছে। রানী কমলার বিয়োগ আর শিশু কন্যার দুগ্ধপান, রাজার চুপিসারে রানীকে দেখা, রানীর চিরতরে হারিয়ে যাওয়া এই রকম একটি প্রাচীন কল্পকথার স্বাক্ষী এই কমলার দীঘি।

হাতিয়া উপজেলা

নিঝুম দ্বীপ

নিঝুম দ্বীপ যেতে হলে অবশ্য আপনাকে সময় নিয়ে যেতে হবে। সেক্ষেত্রে যদি বন্ধুরা মিলে পরিকল্পনা করে থাকেন তাহলে ঘুরে আসতে পারেন। জেলা সদর হতে সডক পথে বাস যোগে প্রায় ৫০ কি.মি দূরে চেয়ারম্যান ঘাট। সেখান থেকে সী-ট্রাক যোগে প্রায় ২০ কিমি সমুদ্র পথ পাড়ি দিয়ে দেখে আসতে হবে হাতিয়া উপজেলার দর্শনীয় স্থানগুলো। যেমন- কাজীর বাজার, সূর্যমুখী, তমরদ্দি ঘাট, হাতিয়াদ্বীপ সরকারি কলেজ, দ্বীপ উন্নয়ন সংস্থা ইত্যাদি।

সেনবাগ উপজেলা

কাবিলপুর হাক্কানী মসজিদ

কাবিলপুর হাক্কানী মসজিদ

অপরুপ সৌন্দর্যের নিদর্শন হাক্কানী জামে মসজিদটি চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্যে ব্যায়বহুল ও সৌন্দর্যময় ৩ তলা বিশিষ্ট একটি মসজিদ।  সৌন্দর্য ও এর বিশালতায় এটিকে বাংলাদেশের মধ্যে আকর্ষণীয় সৌন্দর্যময়ী মসজিদগুলোর মধ্যে একটি বলা যায়।  ৮০’র দশকের প্রথম দিকে হাশেম হওদাগর নামে এক ব্যক্তি তার  আশেপাশের লোকজনের সহযোগিতায় খুব ছোট পরিসরে একটি মসজিদ নির্মাণ শুরুর করেন যেটি হাক্কানী জামে মসজিদটি নামে পরিচিত। মসজিদটির পুননির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০০৭ সালে আর শেষ হয় ২০১০ সালে। আবুল খায়ের গ্রুপ কোম্পানীর অর্থায়নে এর পুনরায় নিমার্ণ কাজ শুরু করা হয়।এটি  নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের কাবিলপুর গ্রাম অবস্থিত। সেনবাগ রাস্তার মাথা থেকে সি এন জি করে কাবিলপুর গ্রামে গেলেই মসজিদটি দেখে আসতে পারবেন।

কল্যান্দি জমিদার বাড়ি

১৮০০ শতকের দিকে জমিদার রামেন্দ্র রায় চৌধুরী ও জমিদার কাঙালি রায় চৌধুরী  এই জমিদার বাড়িটি প্রতিষ্ঠা করেন যেটি স্থানীয় লোকজনের কাছে রায় চৌধুরী জমিদার বাড়ি হিসেবেও বেশ পরিচিত।  জমিদার রামেন্দ্র রায় চৌধুরীর বিভিন্ন ধরনের সমাজ কল্যান মূলক কাজের জন্য ব্রিটিশ সরকার তাকে রায় বাহাদুর উপাধিতে ভূষিত করেন। এই জমিদারদের অধীনে মোট ১৯টি তালুক ছিল। জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত হয়ে গেলে জমিদার বংশের অনেকেই ভারতে চলে গেলেও এখনও তাদের বংশধরদের কেউ কেউ এখানে বসবাস করছেন। কল্যাণ্দি জমিদার বাড়িটি নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কল্যাণ্দি গ্রামে অবস্থিত।

এছাড়াও দেখে আসতে পারেনঃ

  • ভূঞার দিঘী,
  • কাদরার কিললা,
  • ছমিরমুন্সিরহাট মসজিদ
  • বীরকোটের বীরের মূর্তি

সোনাইমুড়ী উপজেলা

গান্ধী আশ্রম

১৯৪৬ সালে জাতিগত সংঘাতের পর মহাত্মা গান্ধী নোয়াখালী জেলা পরিদর্শণ করেন। তিনি পরিদর্শনের জন্য সেখানে গেলে সেখানকার তৎকালীন জমিদার ব্যরিস্টার হেমন্ত কুমার ঘোষ তার সকল সম্পত্তি গান্ধীজির আদর্শ প্রচার এবং গান্ধীজির স্মৃতি সংরক্ষণের জেন্য একটি ট্রাস্ট এর মাধ্যমে দান করেন। তিনি গান্ধীজির নামে একটি আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন যেটি গান্ধী আশ্রম নামে পরিচিত। এটি সোনাইমুড়ি উপজেলার জয়াগ বাজার অবস্থিত।

আমিশাপাড়া বারাহীদেবীর মন্দির

এক সময় নোয়াখালী, ত্রিপুরা, চট্রগ্রাম ও আশপাশের  হিন্দু সম্প্রদায়ের নিকট এই বারাহী পীঠ ছিল পবিত্র তীথক্ষেত্র । লোকমুখে শোনা যায়, রাজা আদিশূরের পুত্র বিশ্বম্ভর শূর ভুলুয়ায় রাজধানী স্থাপন করে বারাহী দেবীর মন্দির স্থাপন করেছিলেন। তখন এই মন্দিরটি  ছিল ভুলুয়ার কল্যানপুরে। পরবর্তী কালে রুদ্র মানিক্যের স্ত্রী রানী শশীমুখী আমিশাপাড়া গ্রামে মন্দির নির্মান করে বারাহী দেবিকে সেখানে পুনঃ প্রতিষ্ঠিত করেন। এই মন্দিরটির ট্রতিষ্ঠাকাল সম্র্পকে জানা যায়নি। 

বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ রুহুল আমিন স্মৃতি পাঠাগার ও জাদুঘর

বীরশ্রেষ্ঠ  রুহুল আমিনের পৈত্রিক ভূমি সোনাইমুড়ী উপজেলার সদর থেকে ৮ কিঃমিঃ পশ্চিমে দেওটি ইউনিয়নভুক্ত বর্তমান রুহুল আমিন নগর (বাগপাচরা) গ্রামে প্রতিষ্ঠা করা হয়  বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোঃ রুহুল আমিন গ্রন্থাগার ও স্মৃতিজাদুঘর। বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোঃ রুহুল আমিনের পরিবারের সদস্যদের কর্তৃকদানকৃত ০.২০ একর ভূমিতে  নির্মাণ করা হয় আধুনিক সুযোগ- সুবিধা সম্বলিত এ গ্রন্থাগার ও স্মৃতিজাদুঘর।

পালপাড়া চৌধুরী বাড়ীর “আন্ধার মানিক”

১৮১৩ সালে সোনাইমুড়ি উপজেলার পালপাড়া চৌধুরী বাড়িতে রাজা অনুপ কুমার সিংহের আমলে আন্ধার মানিক ভবনটি নির্মাণ করা হয়। এটি নোয়াখারী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলা ৯নং দেওটি ইউনিয়নের অন্তর্গত পালপাড়া গ্রামে অবস্থিত। আন্ধার মানিকপালপাড়া চৌধুরী বাড়ি-জমিদারি পরিচালনা হতো যেখান থেকে পড়লে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

বজরা শাহী জামে মসজিদ

প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো বজরা শাহী মসজিদটি  মুগল সম্রাট মুহাম্মদ শাহের রাজত্ব কালে  জমিদার আমান উল্যাহ্ তাঁর বাড়ীর সামনে ৩০ একর জমির উপর প্রায় ১১৬ ফুটদৈর্ঘ্য ও ৭৪ ফুট প্রস্থ এবং প্রায় ২০ ফুট উঁচু ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট একটি বিশাল আকর্ষনীয় তোরণ বিশিষ্ট মসজিদ নির্মাণ করেন। এই মসজিদটি বজরা শাহী জামে মসজিদ নামে পরিচিত।

সুবর্ণচর উপজেলা

চেয়ারম্যান ঘাট/ মেঘনা মোহনা

নোয়াখালীর মাইজদী থেকে মেঘনা মোহনার দূরত্ব প্রায় ৭০ কি.মি.। মেঘনা মোহনা স্থানীয়ভাবে চেয়ারম্যানঘাট নামে বহুল পরিচিত। নোয়াখালি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সামনে গেলেই পাবেন চেয়ারম্যান-ঘাট।সাত-সকালে চেয়াম্যান-ঘাটে মানুষের ব্যস্ততা সব থেকে বেশী থাকে। বাস ও সি এন জি চালিত বেবী-টেক্সী করে চেয়ারম্যান ঘাটে যাওয়া যায়। এ জায়গায় গিয়ে দাঁড়ালে প্রাকৃতিক পরিবেশ আর অকৃত্রিম বিশুদ্ধ বাতাসে দেহ-প্রাণ যেন জুড়িয়ে যায়।

মহিষের বাথান

মহিষের বাথান দেখতে হলে সুবর্ণচর চলে যেতে পারেন।

কবিরহাট উপজেলা

রমজান মিয়া জামে মসজিদ

 প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো রমজান মিয়া জামে মসজিদটি নোয়াখালী জেলার কবিরহাট উপজেলায় অবস্থিত। মসজিদটি নোয়াখালী জেলার কবিরহাট উপজেলার ৭নং বাটইয়া ইউনিয়নে অবস্থিত। চাটখিল উপজেলা মেঘা দিঘী মেঘা দিঘী চাটখিল উপজেলার ০৪ নং বদলকোট ইউনিয়ন এ অবস্থিত। চাটখিল বাজার থেকে রিকশা/ লেগুনা/ অটো রিকশা/ মোটরসাইকেল যোগে ২০-২৫ মিনিট এর রাস্তা নারায়নপুর জমিদারবাড়ি চাটখিল থানার রাম নারায়নপুর ইউনিয়নে একটি জরাজীর্ন জমিদার বাড়ী আছে। মল্লিকা দিঘি ও ঈদ গাহ মাঠ এটি চাটখিল থানার খিলপাড়া ইউনিয়নে ছোটজীনগর গ্রাম অবস্থিত। সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ আপনাকে বিমোহিত করবে।আশে পাশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ এই সুন্দর পরিবেশটা দেখতে আসে। নোয়াখালীতে আরো ছোট-বড় অনেক স্থাপনা ও দর্শনীয় স্থান রয়েছে। সময় সুযোগ কের ঘুরে আসতে পারেন সেগুলোও। কমেন্ট করুনঃ (Visited 1 times, 1 visits today) নোয়াখালীর শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নয়নে আমরা কি করতে পারি? নোয়াখালীর শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নয়নে আমরা কি করতে পারি? August 22, 2019 In "শিক্ষা" একদিনে ফেনী ভ্রমণের অভিজ্ঞতা - ঘুরে আসুন ফেনী একদিনে ফেনী ভ্রমণের অভিজ্ঞতা - ঘুরে আসুন ফেনী August 19, 2019 In "ভ্রমণ নির্দেশিকা" মুসাপুর ক্লোজার-হয়ে উঠছে জনপ্রিয় বিনোদন স্পট। মুসাপুর ক্লোজার-হয়ে উঠছে জনপ্রিয় বিনোদন স্পট। September 1, 2019 In "ভ্রমণ নির্দেশিকা" Share this story with your friends: Facebook LinkedIn Twitter Tumblr Email Skype Copy Link Gmail SMS Line Print Share জাতীয় Edit Leave a Reply Logged in as teamnoakhali. Log out? Comment Search for: সর্বাধিক পঠিত নোয়াখালীর মানুষ ছাড়া, আরো যারা নোয়াখালীর ভাষায় কথা বলে নোয়াখালীর চৌমুহনী বাজারে জ্যামের ১০ টি কারণ নোয়াখালীতে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় কেন প্রয়োজন? নোয়াখালীর অথনৈতিক খাত সমূহ নোয়াখালীতে শিক্ষার হার কেমন? সাম্প্রতিক পোষ্ট পালপাড়া চৌধুরী বাড়ীর ‍”আন্ধার মানিক” খেলোয়ারের জেলা নড়াইল-নোয়াখালী পিছিয়ে রয়েছে শতগুণ ফেসবুক একাউন্ট হ্যাকিং রোধে করণীয় কি? ফেসবুক মাস্তানরা আমাদেরকে যেভাবে ব্যবহার করে। পালপাড়া চৌধুরী বাড়ি-জমিদারি পরিচালনা হতো যেখান থেকে। বিভাগ সমূহ বিভাগ সমূহ আর্কাইভ আর্কাইভ Pages About Us Contact Us Privacy Policy Terms & Conditions দরকারি নম্বর Meta Site Admin Log out Entries RSS Comments RSS WordPress.org

প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো রমজান মিয়া জামে মসজিদটি নোয়াখালী জেলার কবিরহাট উপজেলায় অবস্থিত। মসজিদটি নোয়াখালী জেলার কবিরহাট উপজেলার ৭নং বাটইয়া ইউনিয়নে অবস্থিত।

চাটখিল উপজেলা

মেঘা দিঘী

মেঘা দিঘী চাটখিল উপজেলার ০৪ নং বদলকোট ইউনিয়ন এ অবস্থিত। চাটখিল বাজার থেকে রিকশা/ লেগুনা/ অটো রিকশা/ মোটরসাইকেল যোগে ২০-২৫ মিনিট এর রাস্তা

নারায়নপুর জমিদারবাড়ি

চাটখিল থানার রাম নারায়নপুর ইউনিয়নে একটি জরাজীর্ন জমিদার বাড়ী আছে।

মল্লিকা দিঘি ও ঈদ গাহ মাঠ

এটি চাটখিল থানার খিলপাড়া ইউনিয়নে ছোটজীনগর গ্রাম অবস্থিত। সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ আপনাকে বিমোহিত করবে।আশে পাশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ এই সুন্দর পরিবেশটা দেখতে আসে।

নোয়াখালীতে আরো ছোট-বড় অনেক স্থাপনা ও দর্শনীয় স্থান রয়েছে। সময় সুযোগ কের ঘুরে আসতে পারেন সেগুলোও। নোয়াখালীর দর্শনীয় স্থান নোয়াখালীর দর্শনীয় স্থান নোয়াখালীর দর্শনীয় স্থান নোয়াখালীর দর্শনীয় স্থান নোয়াখালীর দর্শনীয় স্থান

(Visited 2,679 times, 1 visits today)
Share this story with your friends:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *